মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

রিজিলিয়েন্ট আরবান প্রকল্পের ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ও এলজিইডি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট (আরইউটিডিপি) প্রকল্পের আওতায় গোদাগাড়ী পৌরসভায় ক্লাস্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা (সিডিপি) ও ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান (সিটিপি) শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (১১ মে ) গোদাগাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মশালায় গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মোহাঃ সারওয়ার জাহান।

কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত টিম লিডার ও পরিবেশবিদ বিশেষজ্ঞ আহসান ইমাম, নগর পরিকল্পনাবিদ তামান্না সালাম, সামাজিক ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এম.টি. এস মেহমুদ, মোঃ হাবিবুল হক এবং পরিবেশবিদ বিশেষজ্ঞ মাহমুদা খাতুন, ডিএসএম, আরইউটিডিপি, এলজিইডি। এছাড়া পৌরসভার টাউন-লেভেল কোঅর্ডিনেশন কমিটি (টিএলসিসি) সদস্যরাও অংশ নেন।
প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরে কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পৌরসভাগুলোকে উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পৌরসভার সাথে সংযুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও নগর এলাকার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
দেশের ৮১ টি পৌরসভা ও ৬ টি সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়ন করা হবে প্রকল্পটি।
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটি প্রথম পর্যায়ে দেশের ৮১টি পৌরসভা এবং ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়িত হবে, যা বাংলাদেশের ৩৬টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রায় ২.১ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন, যার অর্ধেকই নারী।
কর্মশালায় জানানো হয়, প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ফুটপাত, সড়ক বাতি উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন, সুপার মার্কেট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, পৌর ভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে।

এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে বলে কর্মশালায় জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভাকে পরিকল্পিত ও জলবায়ু সহনশীল শহর হিসেবে গড়ে তুলতে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। স্থানীয় জনগণের চাহিদার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার প্রকল্প চিহ্নিত করে বিনিয়োগ পরিকল্পনা করা হবে।

সংশ্লিষ্ট খবর
- Advertisment -
Google search engine

সর্বশেষ