রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান-চাল- গম সংগ্রহ অভিযান-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুপুরে গোদাগাড়ী এলএসডি প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে অভিযানের উদ্বোধন করেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব ইসরাত জাহান।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ গোদাগাড়ীর আয়োজনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী, গোদাগাড়ী এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও কৃষকরা।
উপজেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ীতে মোট ১৬৩০ টন খাদ্যপণ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ধান, সিদ্ধ চাল, আতপ চাল ও গম।
কৃষকদের সুবিধার্থে গোদাগাড়ী এলএসডি প্রাঙ্গণে একটি কৃষক সহায়তা বুথ খোলা হয়েছে। বুথের দায়িত্বে রয়েছেন খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান।
খাদ্য সংগ্রহের বিনির্দেশ অনুযায়ী সরকার নির্ধারিত মানে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবেন। সিদ্ধ চালে আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ১৪%, বড় ভাঙা দানা ৬%, ছোট ভাঙা দানা ২%, ভিন্ন জাতের মিশ্রণ ৮%, বিনষ্ট ও মরা দানা ০.৫%, বিবর্ণ দানা ০.৫%, ধান প্রতি কেজিতে ১টি, বিজাতীয় পদার্থ ০.৩%, খুদিময় দানা ০%, অর্ধসিদ্ধ দানা ১%।
আতপ চালে আর্দ্রতা ১৪%, বড় ভাঙা দানা ৮%, ছোট ভাঙা দানা ৫%, অন্যান্য মিলিয়ে ১০%, ধান ২টি, বিজাতীয় পদার্থ ০.৩%, অর্ধসিদ্ধ দানা ১%।
ধানের ক্ষেত্রে আর্দ্রতা ১৪%, বিজাতীয় পদার্থ ০.৫%, ভিন্ন ধানের মিশ্রণ ৮%, অপুষ্ট ও বিনষ্ট দানা ২%, চিটা ০.৫%।
গমের নিয়ম অনুযায়ী আর্দ্রতা ১৪%, বিজাতীয় পদার্থ ২%, কুঁচকানো ও অপুষ্ট দানা ১০%, বিনষ্ট দানা ৩%।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, “সরকার কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি ধান-চাল সংগ্রহ করছে। নির্ধারিত মান মেনে কৃষকরা যেন সহজে তাদের উৎপাদিত ফসল বিক্রি করতে পারেন, সে বিষয়ে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।”
অনুষ্ঠানে কৃষকদের মাঝে সংগ্রহের বিনির্দেশ ও প্রয়োজনীয় তথ্য সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করা হয়।
